চুলের গ্রোথ বাড়াতে যা যা খেতে হবে-
১। মাছ
২। মাংস
৩। বিনস
৪। বাদাম- ওয়াল নাট, আমন্ড
৫। হোল গ্রেইন
৬। ফুলকপি/ব্রোকলি, বাঁধাকপি
৭। চিকেন
৮। পাম্পকিন সিডস
৯। চিয়া সিডস
১০। পেঁপে
১১। লেবু, অরেঞ্জ, জাম্বুরা, মাল্টা
১২। মিষ্টি আলু
১৩। ক্যাপসিকাম
১৪। ডিম
১৫। টক দৈ, চিজ
১৬। শাক
১৭। বোন ব্রোথ
১৮। ডাল
১৯। পালং শাক/পুঁই শাক
২০। টমেটো
২১। গাজর
২২। চিংড়ি
২৩। ফ্লাস্ক সিডস
২৪।
চুলের জন্য প্রয়োজন ভিটামিন-এ, ই, সি, প্রোটিন, ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড, জিংক,আয়রন। প্রতিদিন সকালে মাল্টি ভিটামিন এবং মাল্টি মিনারেলস সাপ্লিমেন্ট খেতে হবে। বায়োটিন খেতে হবে। ভিটামিন বি খেতে হবে।
প্রতিদিন চুলে শ্যাম্পু করা যাবে না। সপ্তাহে ৩ বারের বেশি নয়। সপ্তাহে একদিন হেয়ার মাস্ক লাগাতে হবে। ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল ধুতে হবে। শ্যাম্পু করার সময় হালকা হাতে স্ক্যাল্প ম্যাসাজ করতে হবে। চুল শ্যাম্পু করার আগে অবশ্যই আঁচড়ে নিতে হবে। ভেজা চুলে জট ছাড়াতে গেলে প্রচুর চুল পড়বে। চুল আঁচড়ানোর আগে তোয়ালে দিয়ে ভালো ভাবে মুছে নিয়ে হেয়ার সিরাম/লিভ-অন লাগাতে হবে। এরপর ধীরে ধীরে চুল আঁচড়াতে হবে। বড় দাঁতের চিরনি ব্যবহার করা ভালো। নিয়মিত চিরনি পরিস্কার রাখতে হবে।
ঘুমানোর সময় সিল্কের কভার দেয়া বালিশ ব্যবহার করতে হবে। আর তা না পারলে প্রতি সপ্তাহে বালিশের কভার ধুয়ে নতুন কভার ব্যবহার করতে হবে। এতে স্ক্যাল্পে জীবাণু জন্মানো রোধ করা যায়।
2% Minoxidil topical solution ব্যবহার করা যায় যদি অতিরিক্ত চুল পড়ে সিঁথি চওড়া হয়ে যেয়ে থাকে। এটা ব্যবহারে চুল পড়া বন্ধ হয় এবং চুল গজায়।
চুলে অতিরিক্ত হিট দেয়া যাবে না স্টাইলিং এর নামে। এতে চুল নষ্ট হয়। চুলে ব্লিচ করা যাবে না এতে চুলের ভয়াবহ ড্যামেজ হয়।
অতিরিক্ত ফাস্টিং ডায়েট করা যাবে না। কিংবা টানা ফাস্টিং করা যাবে না। এতে হেয়ার গ্রোথ স্লো থেকে স্লো হবে উপরুন্তু চুল পড়ে বিনাশ হয়ে যাবে। এমনকি রেস্ট্রিকটিভ ডায়েটও করা যাবে না। তাহলে চুল প্রপার নিউট্রিশান পাবে না এবং চুলের গ্রোথ বন্ধ হয়ে যাবে এবং চুল পড়বে। প্রোটিন কম খেলে চুল পাকবে এবং চুল পড়বে। প্রতি দিন ৫০ গ্রাম প্রোটিন রাখতে হবে খাদ্য তালিকায়।
শ্যাম্পু, কন্ডিশনার সিলেকশনের সময় খেয়াল রাখতে হবে এটা চুলকে ,স্ক্যাল্পকে রাফ করে ফেলছে কিনা। যদি করে তবে তা পরিবর্তন করে ফেলতে হবে। থিক এবং ভলিউম বাড়াবে এরকম শ্যাম্পু চুজ করতে হবে।
২-২.৫ মাস পর পর চুলের আগা ছেটে দিতে হবে। চুল ব্রাশ করতে হবে অন্তত ৫০ বার সারাদিনে। এতে স্ক্যাল্পে ব্লাড সার্কুলেশন বাড়ে। নিয়মিত হট ওয়েল ম্যাসাজ করতে হবে। ভেজা চুল খুব টাইট করে তোয়ালে দিয়ে পেঁচিয়ে রাখা যাবে না। ভেজা চুলের গোড়া নরম থাকে এতে চুল পড়া বাড়ে এবং চুল ভাঙে। অনেকে গোসল করে এসেই গামছা দিয়ে জোরে জোরে চুল ঝাড়ে। এটা ভয়ানক ক্ষতিকর। কারণ এতে চুলে গোড়ায় ভীষণ টান পড়ে। চুল ভাঙে। ভেজা চুল তোয়ালে দিয়ে চেপে চেপে পানি মুছে নিতে হবে। ফ্যানের নিচে বসে তোয়ালে দিয়ে আস্তে আস্তে চুল মুছে নিতে হবে। এতে চুলে কোন টান পড়বে না চুল ছিঁড়বে না।
প্রতিদিন ৩/৪ মিনিট সমস্ত চুল উলটে মাথা নিচু করে রাখতে হবে। এতে মাথায় রক্ত প্রবাহ বাড়বে এবং হেয়ার গ্রোথ বাড়বে। এক্ষেত্রে নামাজ পড়া খুবই উপকারী। স্ক্যাল্প ম্যাসাজ অত্যন্ত উপকারী। প্রতিদিন কমপক্ষে ৪ মিনিট স্ক্যাল্প ম্যাসাজ করলে ধীরে ধীরে চুলের গ্রোথ বাড়বে।
এসেনশিয়াল ওয়েল চুলের গ্রোথ বাড়ায়।
স্ট্রেস কমানো গেলে হেয়ার গ্রোথ বাড়বে। ইয়োগা, মেডিটেশন, ৮ ঘন্টা ঘুম, নিয়মিত দম চর্চা স্ট্রেস কমায়।
প্রোটিন হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করতে হবে হেয়ার গ্রোথের জন্য।
No comments:
Post a Comment