Secret Recipes
Tuesday, October 19, 2021
Hot Oil massage with Hair Mask
রাইস বডি মাস্ক
বডি মাস্ক-
ফারমেন্টেড রাইস - ১ কাপ
ওয়াইল্ড টারমারিক পাউডার -১ টেবল স্পুন
রক্তচন্দন পাউডার-১ টেবল স্পুন
লেবু-১টি (সম্পূর্ণ লেবুটি টুকরা করে নিয়ে নিতে হবে। লেবুর জেস্ট গ্রেটার দিয়ে গ্রেট করে নিতে হবে)
আপেলের খোসা- ২টি
তুলসী পাতা-১ মুঠ
রোজ ওয়াটার- ২ টেবল স্পুন
সব কিছু ব্লেন্ড করে নিতে হবে । এরপর ২ টেবল স্পুন ওটসের পাউডার এবং ২ টেবল স্পুন বডি ওয়েল মিক্স করে কিছুক্ষণ রেখে দিতে হবে ওটস ফুলে ওঠা পর্যন্ত। এরপর সারা গায়ে মেখে সার্কুলার মোশনে বডি ম্যাসাজ করতে হবে। ১০ মিনিট পর হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর ধুয়ে ফেলতে হবে। সপ্তাহে ২ /৩ বার ব্যবহার করতে হবে। রাতে ঘুমানোর আগে গোসল করলে বডি রিলাক্স হয় এবং সারাদিনের ধকল দূর হয়। এই মাস্কটি রাতে গোসলের সময় ব্যবহার করা ভালো। মাস্ক লাগিয়ে সারা শরীর সার্কুলার মোশনে ম্যাসাজ করলে স্কিনে রক্ত চলাচল বাড়ে। শরীরে ব্যাথা কমে। স্কিন মসৃণ, কোমল, লাবণ্যময়, নরম, উজ্জল এবং দাগমুক্ত সুন্দর হয়।
Monday, October 18, 2021
চুলের গ্রোথ বাড়ায়-
১। দারুচিনি
২। আদা
৩। টক দৈ
৪। মধু
৫। আরগন ওয়েল
৬। বায়োটিন
৭। জিংক
৮। নারিকেল
৯। কলা
১০। পাকা আম
১১। নারিকেল তেল
১২। জোজবা ওয়েল
১৩। টি ট্রি ওয়েল
১৪। এভোক্যাডো ওয়েল
১৫। রোজমেরি ওয়েল
১৬। জিনসেং
১৭। ক্যাস্টর ওয়েল
১৮। পিপারমিন্ট ওয়েল
যে সমস্ত ভিটামিন এবং মিনারেলস চুলের গ্রোথ বাড়ায়-
১। ভিটামিন -এ, ই, সি, ডি
২। জিংক
৩। বায়োটিন
৪। আয়রন
৫। ওমেগা ৩ ও ৬- ফ্লাস্ক সিডস, টুনা, স্যামন, ওয়ালনাট, সয়বিন।
এই উপাদান গুলোর ঘাটতি শরীরে থাকলে চুল পড়নে, চুল বাড়বে না , চুল পাকবে। ডাক্তার দেখিয়ে টেস্ট করে জেনে নেয়া প্রয়োজন ডেফিসিয়েন্সি গুলো কি কি। এরপর ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা উচিত।
হট ওয়েল ম্যাসাজঃ
কোকোনাট ওয়েল + ক্যাস্টর ওয়েল গরম করে স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করতে হবে। এরপর হট টাওয়েল দিয়ে চুলে স্টিম দিতে হবে। ১৫ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলতে হবে।
হেয়ার প্যাকঃ
কোকোনাট ওয়েল গরম করে এর দারুচিনি গুঁড়া মিক্স করে এটা পুরো স্ক্যাল্পে খুব ভালো করে লাগিয়ে ৪৫ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ফেলতে হবে।
কেরাটিন সমৃদ্ধ শ্যাম্পু এবং কন্ডিশন ব্যবহার করতে হবে।
Sunday, October 17, 2021
Hair & Body Mask
আজকে দুটো মাস্ক বানিয়েছি। একটা হেয়ার মাস্ক আর একটা বডি মাস্ক। ভীষণ মাথা ধরেছে গত কাল থেকে। ওষুধ খেয়েও কিছু হচ্ছে না। রুপচর্চা আর হেলদি লাইফস্টাইল ফলো করলে আমি ভালো ফিল করি তাই প্রায়ই এটা সেটা বানাই। প্রচুর রেমিডি আমি বানাই কিন্তু লিখে রাখা হয় না। আর মনেও থাকে না। আমার সমস্যা একটা রুটিনে স্টিক থাকতে পারি না। যাহোক আজ যেটা বানিয়েছি লিখছি।
হেয়ার মাস্কঃ
ওটস গুঁড়া ১/২ কাপ
ডিম ১টা
তিলের তেল-১/২ চামচ
ক্যাস্টর ওয়েল ১/৪ চামচ
কালিজিরার তেল ১/৪ চামচ
এপল সাইডার ভিনেগার ১ টেবল চামচ
ভিটামিন ই ক্যাপসুল ২ টা
মধু ১ টেবল চামচ
হেয়ার প্যাক ২ টেবল চামচ।
সব কিছু মিলিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিয়েছি যাতে হেয়ার প্যাক আর ওটস ভালোভাবে মিশে যেতে পারে। এরপর স্ক্যাল্পসহ পুরো চুলে লাগাতে হবে। ২০-৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। চুল স্মুথ সিল্কি সুন্দর হবে।
বডি প্যাকঃ
১ কাপ ওটস গুঁড়া
১ টেবল চামচ ওয়াইল্ড টারমারিক পাউডার
১ টেবল চামচ রক্তচন্দনের গুঁড়া
কাঁচা দুধ ২ টেবল চামচ
এপল সাইডার ভিনেগার ১ টেবল চামচ
বডি ওয়েল ২ টেবল চামচ
সব কিছু মিলিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিতে হবে ওটস ফুলে ওঠা অব্দি। এরপর সারা গায়ে মেখে সার্কুলার মোশনে ম্যাসাজ করতে হবে ১০ মিনিট। হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে ডেডসেল দূর হবে । স্কিনের পিএইচ ব্যালেন্স ঠিক থাকবে। কালোদাগ দূর হবে। স্কিন স্মুথ, উজ্জ্বল এবং নরম হবে।
Saturday, October 16, 2021
চুলের গ্রোথ বাড়াতে হলে যা যা করা লাগবে
চুলের গ্রোথ বাড়াতে যা যা খেতে হবে-
১। মাছ
২। মাংস
৩। বিনস
৪। বাদাম- ওয়াল নাট, আমন্ড
৫। হোল গ্রেইন
৬। ফুলকপি/ব্রোকলি, বাঁধাকপি
৭। চিকেন
৮। পাম্পকিন সিডস
৯। চিয়া সিডস
১০। পেঁপে
১১। লেবু, অরেঞ্জ, জাম্বুরা, মাল্টা
১২। মিষ্টি আলু
১৩। ক্যাপসিকাম
১৪। ডিম
১৫। টক দৈ, চিজ
১৬। শাক
১৭। বোন ব্রোথ
১৮। ডাল
১৯। পালং শাক/পুঁই শাক
২০। টমেটো
২১। গাজর
২২। চিংড়ি
২৩। ফ্লাস্ক সিডস
২৪।
চুলের জন্য প্রয়োজন ভিটামিন-এ, ই, সি, প্রোটিন, ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড, জিংক,আয়রন। প্রতিদিন সকালে মাল্টি ভিটামিন এবং মাল্টি মিনারেলস সাপ্লিমেন্ট খেতে হবে। বায়োটিন খেতে হবে। ভিটামিন বি খেতে হবে।
প্রতিদিন চুলে শ্যাম্পু করা যাবে না। সপ্তাহে ৩ বারের বেশি নয়। সপ্তাহে একদিন হেয়ার মাস্ক লাগাতে হবে। ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল ধুতে হবে। শ্যাম্পু করার সময় হালকা হাতে স্ক্যাল্প ম্যাসাজ করতে হবে। চুল শ্যাম্পু করার আগে অবশ্যই আঁচড়ে নিতে হবে। ভেজা চুলে জট ছাড়াতে গেলে প্রচুর চুল পড়বে। চুল আঁচড়ানোর আগে তোয়ালে দিয়ে ভালো ভাবে মুছে নিয়ে হেয়ার সিরাম/লিভ-অন লাগাতে হবে। এরপর ধীরে ধীরে চুল আঁচড়াতে হবে। বড় দাঁতের চিরনি ব্যবহার করা ভালো। নিয়মিত চিরনি পরিস্কার রাখতে হবে।
ঘুমানোর সময় সিল্কের কভার দেয়া বালিশ ব্যবহার করতে হবে। আর তা না পারলে প্রতি সপ্তাহে বালিশের কভার ধুয়ে নতুন কভার ব্যবহার করতে হবে। এতে স্ক্যাল্পে জীবাণু জন্মানো রোধ করা যায়।
2% Minoxidil topical solution ব্যবহার করা যায় যদি অতিরিক্ত চুল পড়ে সিঁথি চওড়া হয়ে যেয়ে থাকে। এটা ব্যবহারে চুল পড়া বন্ধ হয় এবং চুল গজায়।
চুলে অতিরিক্ত হিট দেয়া যাবে না স্টাইলিং এর নামে। এতে চুল নষ্ট হয়। চুলে ব্লিচ করা যাবে না এতে চুলের ভয়াবহ ড্যামেজ হয়।
অতিরিক্ত ফাস্টিং ডায়েট করা যাবে না। কিংবা টানা ফাস্টিং করা যাবে না। এতে হেয়ার গ্রোথ স্লো থেকে স্লো হবে উপরুন্তু চুল পড়ে বিনাশ হয়ে যাবে। এমনকি রেস্ট্রিকটিভ ডায়েটও করা যাবে না। তাহলে চুল প্রপার নিউট্রিশান পাবে না এবং চুলের গ্রোথ বন্ধ হয়ে যাবে এবং চুল পড়বে। প্রোটিন কম খেলে চুল পাকবে এবং চুল পড়বে। প্রতি দিন ৫০ গ্রাম প্রোটিন রাখতে হবে খাদ্য তালিকায়।
শ্যাম্পু, কন্ডিশনার সিলেকশনের সময় খেয়াল রাখতে হবে এটা চুলকে ,স্ক্যাল্পকে রাফ করে ফেলছে কিনা। যদি করে তবে তা পরিবর্তন করে ফেলতে হবে। থিক এবং ভলিউম বাড়াবে এরকম শ্যাম্পু চুজ করতে হবে।
২-২.৫ মাস পর পর চুলের আগা ছেটে দিতে হবে। চুল ব্রাশ করতে হবে অন্তত ৫০ বার সারাদিনে। এতে স্ক্যাল্পে ব্লাড সার্কুলেশন বাড়ে। নিয়মিত হট ওয়েল ম্যাসাজ করতে হবে। ভেজা চুল খুব টাইট করে তোয়ালে দিয়ে পেঁচিয়ে রাখা যাবে না। ভেজা চুলের গোড়া নরম থাকে এতে চুল পড়া বাড়ে এবং চুল ভাঙে। অনেকে গোসল করে এসেই গামছা দিয়ে জোরে জোরে চুল ঝাড়ে। এটা ভয়ানক ক্ষতিকর। কারণ এতে চুলে গোড়ায় ভীষণ টান পড়ে। চুল ভাঙে। ভেজা চুল তোয়ালে দিয়ে চেপে চেপে পানি মুছে নিতে হবে। ফ্যানের নিচে বসে তোয়ালে দিয়ে আস্তে আস্তে চুল মুছে নিতে হবে। এতে চুলে কোন টান পড়বে না চুল ছিঁড়বে না।
প্রতিদিন ৩/৪ মিনিট সমস্ত চুল উলটে মাথা নিচু করে রাখতে হবে। এতে মাথায় রক্ত প্রবাহ বাড়বে এবং হেয়ার গ্রোথ বাড়বে। এক্ষেত্রে নামাজ পড়া খুবই উপকারী। স্ক্যাল্প ম্যাসাজ অত্যন্ত উপকারী। প্রতিদিন কমপক্ষে ৪ মিনিট স্ক্যাল্প ম্যাসাজ করলে ধীরে ধীরে চুলের গ্রোথ বাড়বে।
এসেনশিয়াল ওয়েল চুলের গ্রোথ বাড়ায়।
স্ট্রেস কমানো গেলে হেয়ার গ্রোথ বাড়বে। ইয়োগা, মেডিটেশন, ৮ ঘন্টা ঘুম, নিয়মিত দম চর্চা স্ট্রেস কমায়।
প্রোটিন হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করতে হবে হেয়ার গ্রোথের জন্য।
Friday, October 15, 2021
Hair Mask-2
বর্ষার শুরু থেকে প্রচুর চুল পড়তে শুরু করেছিল এ বছর। তো ইন্টারনেটে খোঁজাখুঁজি করছিলাম যে এমন কিছু পাই কি না যা স্ক্যাল্পের ইচিং কমাবে আর চুল পড়া বন্ধ করবে। একটা পোস্টে দেখলাম একজন লিখেছে লেবু দিলে উপকার হয়। এরপর আরও ঘাঁটাঘাঁটি করলাম যে কিভাবে এটা সাহায্য করতে পারে। দেখলাম লেখা আছে স্ক্যাল্পের পিএইচ ব্যালেন্স ঠিক থাকলে খারাপ ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস চুলের গোড়ায় জন্মাতে পারে না। চুলের গোড়ায় ঘাম জমলে স্ক্যাল্প স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে যায় যা অতিরিক্ত তেল নিঃসরণ করে ফলে মাথার ত্বক তেলতেলে হয়ে যায় যা ফাঙ্গাস, খুশকি, ফলিকলের ভেতরে বসবাসকারী একধরণের মাইট, উকুন ইত্যাদির বিস্তারের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করে। যার ফলে প্রচুর ইচিং হয়, চুল পড়ে, স্ক্যাল্প এ ক্ষত সৃষ্টি করে। চুলে জট পড়ে , রুক্ষতা আর মলিনতা বাড়ে। এই সব সমস্যায় ত্যাক্ত বিরক্ত হয়ে একটা রেসিপি ট্রাই করলাম। আসলে একটা না কয়েকটা।
রেসিপি ১
লেবুর রস -১ টা বড় লেবুর।
সামান্য একটু পানির সাথে মিশিয়ে স্ক্যাল্পে লাগালাম। রেখে দিলাম ২০ মিনিট। এরপর শ্যাম্পু করে ফেললাম। এই রিমেডিটা আমি পর পর চার/পাঁচ দিন দিয়েছি। ইচিং কমেছে আর চুল পড়া কিছুটা কমেছে।
রেসিপি ২
আদা বাটা ২ টেবল স্পুন
লেবুর রস - ১টা বড় লেবুর
এই মিশ্রণটি স্ক্যাল্পে লাগালাম। রেখে দিলাম ৩০ মিনিট। এরপর শ্যাম্পু করে ফেললাম। এই রিমেডিটা আমি সপ্তাহে ১দিন দিয়েছি। ইচিং কমেছে আর চুল পড়া কমেছে , চুল স্ট্রেইট হয়েছে এবং খুব শাইনিং হয়েছে।
রেসিপি ৩
১ টি বড় লেবু কুচি কুচি করে কেটে নিলাম।
এলোভেরা জেল - ৩টি পাতার
নিম পাতা- ১ মুঠ
এসেনশিয়াল ওয়েল কয়েক ফোঁটা
সব কিছু ব্লেন্ড করে স্ক্যাল্পে এবং চুলে লাগাতে হবে এবং ৩০মিনিট করতে হবে। শ্যাম্পু না করলেও চুল ভাল থাকে। চুলে তেল লাগানোর পর এই মাস্ক লাগালে চুলে শ্যাম্পু দিতে হবে। চুল পড়া কমায়, ইচিং কমায়, চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। চুল স্ট্রেইট করে এবং চুলে জট পড়ে না। সপ্তাহে ২ বার দিতে হবে।
রেসিপি ৪
এপল সাইডার ভিনেগার ১/৪ কাপ
পানি ১/২ কাপ
দুটি মিলিয়ে এই মিশ্রণটি সপ্তাহে প্রতিদিনই দেয়া যায় স্ক্যাল্পে এবং পুরো চুলে। লেবুর রস এবং ভিনেগার অল্টারনেট ডে তে ইউজ করা যায়। এটি স্ক্যাল্পের গোড়ায় ঘাম জমতে দেয় না। পিএইচ ব্যালেন্স ভালো রাখে। চুল পড়া কমায়।
রেসিপি ৫
টক দৈ ১/২ কাপ
লেবু ১টা কুচি কুচি করে কাটা
নিম পাতা ১ মুঠ
তুলসী পাতা ১ মুঠ
এলোভেরা জেল-২টি পাতা
রোজমেরি ওয়েল কয়েক ফোঁটা
সব কিছু ব্লেন্ড করে মাস্ক বানায় রাখতে হবে। স্ক্যাল্পে হট ওয়েল ম্যাসাজ করে গরম তোয়ালে দিয়ে মাথা কভার করে স্টিম দিতে হবে ১০ মিনিট। এরপর ভালো করে চুল আঁচড়ে নিতে হবে। এরপর চুলে সিঁথি করে করে এই মাস্কটা লাগাতে হবে। স্ক্যাল্পসহ পুরো চুলে ভালোভাবে লাগাতে হবে। ৩০ মিনিট রেখে চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলতে হবে। চুলে সুগন্ধ হয়। চুল ঝকমকে সুন্দর হয়। জট থাকে না স্ট্রেইট হয়। স্ক্যাল্প একদম পরিস্কার হয়ে যায়।খুবই বেশি ইচিং থাকলে নিয়মিত ব্যবহারে ইচিং কমতে থাকবে। স্ক্যাল্পের পিএইচ ব্যালেন্স ঠিক থাকবে। টক দৈ এর কারণে স্ক্যাল্পে খারাপ ব্যাক্টেরিয়া জন্মাতে পারে না।
শেষ কথা
এই প্রতিটি হেয়ার মাস্ক চুল পড়া বন্ধ করে এবং চুলকে অসাধারণ সুন্দর করে দেয়। যাদের চুল অতিরিক্ত ঘামে আর বিশ্রী গন্ধ বের হয় তাঁদের জন্য এটা খুবই কার্যকর। চুলে সুগন্ধ আনে লেবুর খোসা এবং এসেনশিয়াল ওয়েল। এই বছরের ভয়াবহ চুল পড়া ঠেকিয়েছি আমি এই মাস্ক গুলো ব্যবহার করে। আলহামদুলিল্লাহ।
Hair mask
হেয়ার এন্ড ফেস মাস্ক নিয়ে নানা ধরনের এক্সপেরিমেন্ট করতে আমার ভালো লাগে। বিভিন্ন ধরনের ফেস মাস্ক আর হেয়ার মাস্ক বানাই। প্রতিবারই নতুন কিছু না কিছু করি। কিন্তু সমস্যা হ'ল মনে রাখতে পারি না। তাই ভাবলাম লিখে রাখি। এরপরের বার যখন ব্যবহার করব এখান থেকে দেখে নিতে পারব।
আজকে যেটে বানিয়েছি সেটা একটা ডিপ কন্ডিশনিং হেয়ার মাস্ক।
যেভাবে বানালাম-
১। কলা-২টা
২। ডিম -১টা
৩। তুলসী পাতা - ১ মুঠ
৪। এলোভেরা-৬টি পাতার জেল
৫। হারবাল ওয়েল (মেথি ও কালিজিরা সহ)
৬। মধু
৭। তিল এক মুঠ
৮। বাসি ফারমেন্টেড ভাত -১ কাপ
৯। ভিটামিন ই ক্যাপ্সুল ৪টা
এই সব গুলো উপকরণ ব্লেন্ড করে নিতে হবে খুব ভাল করে।এর পর পুরো মাথায় এবং চুলে খুব ভাল ভাবে লাগাতে হবে। কমপক্ষে আধ ঘন্টা রেখে শ্যাম্পু করে ফেলতে হবে। এই হেয়ার প্যাক লাগালে কন্ডিশনার লাগানোর প্রয়োজন নাই। ভালো রেজাল্টের জন্য প্রতি সপ্তাহে ১ বার করে লাগাতে হবে।
ফলাফল - চুল নরম এবং শাইনিং হয়েছে। চুলে জট পড়ছে না। সুন্দর ম্যানেজবল আছে। আজকে প্রথম দিলাম। কন্টিনিউ করে দেখি কতটা প্রোগ্রেস হয় চুলের।
Hot Oil massage with Hair Mask
হট ওয়েল ম্যাসাজঃ নারিকেল তেল ১/২ কাপ অলিভ ওয়েল ১ টেবল স্পুন ক্যাস্টর ওয়েল ১ চামচ তিলের তেল ১ চামচ কালিজিরার তেল ১ চামচ আমন্ড ওয়েল ১ চামচ ভিট...